সংবাদ শিরোনাম:
দিনাজপুরে ১,৩১৭ মণ্ডপ পূজার প্রস্তুতি চূড়ান্ত,উৎসবের অপেক্ষায় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা পরিদর্শনে এমপি মনজুরুল ইসলাম সংবাদের সাথে ছবি আছে ক্ষতিগ্রস্থ চৌহাটি ও কাজীপাড়া কমিটির সমন্বয়ে মত বিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বড়পুকুরিয়া কয়লাখনিতে নিয়োগে স্থগিত রেখে উচ্চ আদালতের রায়ে নিয়োগ প্রদান না করায় ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মচারীদের বিরামপুরে ফুটবলের মহারণ, ২৬ দলের লড়াইয়ে শুরু খালেদা জিয়া স্মৃতি গোল্ডকাপ” খানপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৭নং ওয়ার্ডের মেম্বার পদপ্রার্থী মোঃ মোতাহার হোসেনের গণসংযোগ কুলিক নদীর তীরে নবজাতকের মরদেহ, কুকুরের মুখ থেকে উদ্ধার পীরগঞ্জে এমপিও জালিয়াতির অভিযোগ সহকারী শিক্ষকই ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বিরামপুরে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত,প্রবীণদের সম্মানে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা ‎বিরামপুরে “Smart Union” বাস্তবায়নে ইউপি চেয়ারম্যান ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ‎ এনজিওর কিস্তি আর দিনমজুর বাবার সংগ্রাম পেরিয়ে জজ হলেন গোমস্তাপুরের কাজল পাঁড়ে
সরকারি বিধি উপেক্ষা করে বনের গাছ কর্তন বিরামপুরে বিট অফিসারের বিরুদ্ধে অভিযোগ

সরকারি বিধি উপেক্ষা করে বনের গাছ কর্তন বিরামপুরে বিট অফিসারের বিরুদ্ধে অভিযোগ

এমডি রেজওয়ান আলী বুরো প্রধান:
দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার চরকাই বন গবেষণা কেন্দ্র এলাকায় সরকারি নিয়ম কানুন অমান্য করে বন বিভাগের গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে দায়িত্বপ্রাপ্ত এক বিট অফিসারের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে ২১ এপ্রিল ২০২৬ ভোরবেলা,যা স্থানীয় জনগণের মাঝে চরম উদ্বেগ ওক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,চরকাই বন গবেষণা কেন্দ্রের বিট অফিসার মোঃ সাইফুল ইসলাম নিজ দায়িত্বে থাকা বন এলাকার একটি অপরিপক্ক ইউক্যালিপটাস গাছ কোনো প্রকার সরকারি অনুমতি ছাড়াই কর্তন করেন। গাছটি ব্যক্তিগত বাড়ির কাজে ব্যবহার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত বিট অফিসার মোঃ সাইফুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি সরাসরি স্বীকার করেন যে,“আমি উক্ত গাছটি আমার বাড়ির কাজের জন্য কর্তন করেছি। অফিসিয়ালি অনুমতি নেওয়ার ক্ষেত্রে ত্রুটি হয়েছে। এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করলে আমার কিছু বলার নেই।”সরকারি দায়িত্বে থেকে এমন স্বীকারোক্তি ঘটনাটিকে আরও গুরুতর করে তুলেছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন,শুধু একটি গাছ নয় চরকাই বন গবেষণা কেন্দ্রের আশেপাশে থাকা অনেক মূল্যবান গাছ দীর্ঘদিন ধরে রাতের অন্ধকারে কেটে নেওয়া হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ডে কিছু অসাধু ব্যক্তির এই বিট অফিসার জড়িত থাকার দাবি করেন।
এতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নীরব সহযোগিতা বা যোগসাজশ রয়েছে।
স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান,“বনের গাছ কাটা এখন নিয়মিত ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রশাসনের চোখের সামনে এসব হচ্ছে, কিন্তু কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।”ঘটনার বিষয়ে বিরামপুর উপজেলা চরকাই ফরেস্ট রেঞ্জ অফিসারের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। আইন কী বলে?
বাংলাদেশের প্রচলিত বন আইন অনুযায়ী,সরকারি বনাঞ্চলের কোনো গাছ কর্তন করতে হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি বাধ্যতামূলক। অনুমতি ব্যতীত গাছ কাটাকে দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়,যার জন্য অর্থদণ্ড,এমনকি কারাদণ্ডের বিধানও রয়েছে। প্রশ্ন উঠছে:একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত বিট অফিসার কীভাবে নিজেই আইন ভঙ্গ করেন?দীর্ঘদিন ধরে বনের গাছ নিধনের পেছনে কারা জড়িত? সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কি এ বিষয়ে কোনো কঠোর পদক্ষেপ নেবে?স্থানীয়দের দাবি:অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দ্রুত বিভাগীয় তদন্ত ও কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। পাশা পাশি বনাঞ্চল রক্ষায় নজরদারি বাড়ানো এবং অবৈধ গাছ কাটার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। এখন দেখার বিষয় প্রশাসন এই গুরুতর অভিযোগে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে, নাকি আগের মতোই বিষয়টি ধামাচাপা পড়ে যায়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি

Design & Development BY : ThemeNeed.com